দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফ্রান্সকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন। ম্যাচ শেষে দলের সাফল্যের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই সম্ভাব্য ফাইনাল প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডকে নিয়ে নিজের ভাবনা জানিয়েছেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
সেমিফাইনালের আগে অনেকেই স্পেন-ফ্রান্স লড়াইকে ‘আগাম ফাইনাল’ বলেছিলেন। তবে দে লা ফুয়েন্তের মতে, আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালও একই মর্যাদার।
তিনি বলেন, ‘গতকাল আমরা বলছিলাম, স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচটি আগাম ফাইনাল হতে পারে। তবে আমি এটাও বলেছিলাম, আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচও আরেকটি আগাম ফাইনাল। এমনি এমনি তো ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছে না। ইতিহাসে এমনটা আগে কখনো হয়নি। এটাই প্রমাণ করে এই বিশ্বকাপে কতটা উচ্চমানের ফুটবল হচ্ছে।’
এরপর সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে কাকে চান—এমন প্রশ্নে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ফুটবলীয় বিচারে তার কোনো পছন্দ নেই, তবে ব্যক্তিগত আবেগের জায়গা থেকে আর্জেন্টিনার প্রতি আলাদা টান রয়েছে।
‘আমাদের কাছে দুই দলই সমান। প্রত্যেকেরই নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে। স্বাভাবিকভাবেই আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবলের ধরন এক নয়।’
এরপরই যোগ করেন, ‘লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে আমার বন্ধুত্বের কারণে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে পারলে সেটি আমার জন্য বিশেষ অনুভূতির হবে।’
তবে সঙ্গে সঙ্গেই ইংল্যান্ডের প্রতিও সম্মান জানাতে ভোলেননি স্প্যানিশ কোচ।
তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ডের ফুটবল সামর্থ্যের প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আমি তাদের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী দল হিসেবে উল্লেখ করেছিলাম। দুই বড় দলের মধ্যে এটি হবে দারুণ একটি লড়াই। তবে আমরা দুই দলকেই সমানভাবে স্বাগত জানাব।’
ফাইনালের আগে নিজের দলের পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন দে লা ফুয়েন্তে।
‘আজ আমরা হয়তো বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি দলের মুখোমুখি হয়েছিলাম। কিন্তু তাদের সামনে ছিল বিশ্বের সেরা দল।’
শেষে স্প্যানিশ ফুটবলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই বিশ্বাস করি, স্প্যানিশ ফুটবলাররাই বিশ্বের সেরা। তারা আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই সমান দক্ষ। এটি শুধু খেলোয়াড়দের নয়, আমাদের কোচ, ক্লাব ও পুরো ফুটবল কাঠামোর সাফল্য। আমাদের এই অর্জনের মূল্য বুঝতে হবে।’
এমএস/